খেলার বিভাগ > ফুটবল
৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শীর্ষে থেকেই কোয়ার্টারে গেল হোসে মোলিনার ছেলেরা।
মোহনবাগানের কাছে ম্যাচটি ছিল রীতিমতো গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার ডুরান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ডায়মন্ড হারবারকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শীর্ষে থেকেই কোয়ার্টারে গেল হোসে মোলিনার ছেলেরা। শুধু বিদেশিরা নয়, গোল পেলেন স্বদেশিরাও। মোহনবাগানের হয়ে গোল করেন অনিরুদ্ধ থাপা, জেমি ম্যাকলারেন, লিস্টন কোলাসো, সাহাল সামাদ এবং জেসন কামিংস। ডায়মন্ড হারবারের একমাত্র গোল লুকা মায়সেনের।
১৯ মিনিটে প্রথম গোল পায় মোহনবাগান। নিজেদের মধ্যে পাস খেলতে গিয়ে বল হারান ডায়মন্ড হারবারের ফুটবলাররা। সাহাল সেই বল কেড়ে নিয়ে পাস দেন থাপাকে। দূর থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন থাপা। পাঁচ মিনিট পরেই সমতা ফেরায় ডায়মন্ড হারবার। মোহনবাগানের রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে গোল করেন মায়সেন। কিছু করার ছিল না বিশাল কায়েথের।
প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় মোহনবাগান। ডায়মন্ড হারবার ফুটবলারদের ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে গোল করেন। বাকি সময়টা দুই দলই গোল করার ভালো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাকলারেনের পরিবর্তে নামেন জেসন কামিংস। শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। লিস্টনকে বক্সের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের নরেশ। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে লাল কার্ড দেখান। পেনাল্টি থেকে গোল করেন লিস্টনই। ডুরান্ডের তিনটে ম্যাচেই গোল করলেন তিনি। এরপর বাকি দুটো গোল করেন সাহাল এবং কামিংস। এদিকে, তিন দিন আগে বাংলা ভাষার ‘অবমাননা’ নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। যুবভারতীর লাল-হলুদ গ্যালারিতে দেখা গিয়েছিল ব্যানার। সেই দিন থেকেই বাংলার মানুষের নজর ছিল শনিবারের দিকে। এদিন দিন যুবভারতীতে ডায়মন্ড হারবার ফুটবল ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলা ছিল মোহনবাগানের। সবুজ-মেরুন গ্যালারিতেও সেই ছবি দেখা যায় কি না, সেই জল্পনা চলছিল। দেখা গেল। একটা ব্যানার নয়। অন্তত পাঁচটা। আ মরি বাংলা ভাষা নিয়ে সোচ্চার হলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর দুই প্রধানের সমর্থকরা একসঙ্গে পথে নেমেছিলেন নির্যাতিতার ন্যায়বিচারের দাবিতে। আরও একটা ইস্যুতে এক হলেন তাঁরা।