• +91 6291642485
  • 6291642485
Banner

খেলার বিভাগ > ক্রিকেট

শাপমোচন বিরাটের! অধরা আইপিএল এবার আরসিবির

১৮তম বছরে আইপিএল জিতলেন কোহলি।

অবশেষে শাপমোচন! ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৬। তিনবার ফাইনালে উঠেও আইপিএল ট্রফি ও বিরাট কোহলির মধ্যে দূরত্বটা থেকেই গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত মিটল কাপ ও ঠোঁটের ব্যবধান। ৬ রানে পঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। 
চার বল বাকি থাকতেই মুখে হাত বিরাট কোহলির। চোখ ঢেকে ফেললেন তিনি। বোঝা যাচ্ছিল, চোখের কোনা দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল। খেলা শেষ না হলেও তত ক্ষণে খেলার ভাগ্য নির্দিষ্ট। জয় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে বেঙ্গালুরুর। তাই নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না কোহলি। কেরিয়ারে সব ট্রফি পেয়েছেন। আইপিএল বাকি ছিল। অবশেষে সেটাও এল। ১৮তম বছরে আইপিএল জিতলেন কোহলি। স্বপ্নপূরণ হল তাঁর।

ফাইনালে টসে জিতে ফিল্ডিং নেয় পঞ্জাব। প্লে-অফ ম্যাচে আরসিবির কাছে হারের স্মৃতি এখনও টাটকা। সেই কারণেই হয়ত পঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার টসে জিতে ফিল্ডিং নেন। শুরুতে ব্যাটিং পেয়ে দুর্দান্ত শুরু করে বেঙ্গালুরু। ওপেনার ফিলিপ সল্ট ৯ বলে ১৬ রান করেন। যখন মনে হয়েছিল বড়ো স্কোর করতে পারেন ইংরেজ ওপেনার। তখনই জেমিসনের বলে শ্রেয়সের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সল্ট। এরপর মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস টানতে থাকেন বিরাট কোহলি। ফাইনালে কিং কোহলির ব্যাট জ্বলে উঠবে এমন প্রত্যাশা করেছিলেন ভক্তরা। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেভাবে মেলে ধরতে পারলেন না তিনি। ফিরলেন ৪৩ রানে। ৩৫ বলে ৩টি চারের সাহায্যে এই রান করেন কোহলি। বিরাট আউট হওয়ার পরেই স্টেডিয়ামে ভক্তরা হতাশ হয়ে পড়েন। এভাবে তাদের গুরু ফিরবেন তা ভাবতে পারেননি তারা। স্টেডিয়ামে সকলেই ভেবেছিলেন অর্ধশতরান করতে চলেছেন বিরাট। কিন্তু বড়ো রান আসেনি এদিন।
 বড়ো রান করতে পারলেন না মায়াঙ্ক আগরওয়ালও। ১৮ বলে ২৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। অধিনায়ক রজত পাতিদারও ফাইনালে বড়ো স্কোর করতে ব্যর্থ। ১৬ বলে ২৬ রান করেন তিনি। রজত আউট হওয়ার পরে আউট হন বিরাট। শেষ পর্বে লিয়াম লিভিংস্টোন ও জিতেশ শর্মা ভালো ব্যাটিং করেন। লিভিংস্টোন ১৫ বলে ২৫ রান করেন। পাশাপাশি জিতেশ ১০ বলে ২৪ রান করেন। রোমারিও শেফার্ড করেন ১৭ রান।  নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯০ রান তোলে আরসিবি। 
পঞ্জাব বোলারদের মধ্যে জেমিসন ও আর্শদীপ সিং ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন।এছাড়া চাহাল, বিজয়কুমার ও আজমাতুল্লা ১টি করে উইকেট পেয়েছেন।জবাবে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান করে পঞ্জাব। দলের হয়ে শশাঙ্ক সিং সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬১ রান করেন। এছাড়া জস ইংলিশ ৩৯ রান করেন। পাশাপাশি দুই ওপেনার প্রিশাংস আরিয়া ২৪ ও প্রভসিমরন সিং  ২৬ রান করেন। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার এদিন ব্যর্থ। তিনি মাত্র ১ রান করেন।

     

বিজ্ঞাপন

Goto Top