খেলার বিভাগ > ক্রিকেট
লড়লেন হারলিন, তাণ্ডব বাংলার রিচার
দুবাই হোক কিংবা কলম্বো। এশিয়া কাপের পরে মেয়েদের বিশ্বকাপ। ফের হার পাকিস্তানের। ৮৮ রানে জিতলেন হরমনপ্রীতরা। একের পর এক হারে বিধ্বস্ত পাক দল। শুধু পার্থক্যটা হল সূর্যকুমারদের জায়গায় এখানে হরমনপ্রীতরা।
বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল কলম্বোয়। মহিলাদের বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সঠিক সময়ে শুরু হওয়া নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। কিন্তু বৃষ্টির আশঙ্কাকে দূরে সরিয়ে সময়মতোই হল টস। টসে জিতে প্রথমে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। হারলিন করেন ৪৬। আট নম্বরে নেমে ঝোড়ো ব্যাটিং উপহার দিলেন বাংলার রিচা ঘোষ। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের সামনে ২৪৮ রানের লক্ষ্য রেখেছিল ভারত।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৩ ওভারে অলআউট হয়ে পাকিস্তান। পাক দলের সর্বোচ্চ রান করেন সিদরা আমিন (৮১)। ভারতের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন ক্রান্তি ও দীপ্তি। দু'জনেই ৩ উইকেট নিয়েছেন। কলম্বোয় শুরুটা বেশ ভালো করলেন ভারতের দুই ওপেনার প্রতিকা রাওয়াল এবং স্মৃতি মন্ধানা। ভারতের রান যখন ৪৮, ফাতিমা সানার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন স্মৃতি। তিনি করেন ৩২ বলে ২৩ রান। সাদিয়া ইকবালের বলে বোল্ড হন আরেক ওপেনার প্রতিকা। তাঁর সংগ্রহ ৩১। দুই ওপেনার আউট হতেই রানের গতি কমে যায় ভারতের। এদিনও ব্যর্থ ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। দুর্বল একটা শট খেলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেন। তাঁকে ফেরান ডায়ানা বেগ। এর কিছুক্ষণ পরেই বড়ো বাঁচার বেঁচে যান জেমাইমা রদ্রিগেজ। ডায়নার বলে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। নো বল হওয়ায় জীবনদান পান তিনি। ফ্রি হিটে বাউন্ডারিও হাঁকান তিনি। উইকেটের অন্য প্রান্তে দারুণ খেলছিলেন হারলিন দেওল। চার রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করলেন তিনি। প্রাণে বাঁচলেও ৩২ রানের বেশি করতে পারেননি জেমাইমা। এরপর দীপ্তি শর্মা এবং স্নেহ রানার জুটিতে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ ৪২ রান। সানার বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে আলিয়া রিয়াজের হাতে ধরা পড়েন রানা। তাঁর নামের পাশে ২০ রান। রানা ফিরতেই কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেলেন দীপ্তিও। ডায়নার বল দীপ্তির ব্যাটের কানা ছুঁয়ে চলে যায় পাক উইকেটরক্ষক সিদ্রা নওয়াজের দস্তানায়। একের পর এক উইকেট খুইয়ে তখন অনেকটাই চাপে ভারত। তবে বেশ আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে ২২ গজে নামেন বাংলার মেয়ে রিচা। জোড়া ছক্কা হাঁকিয়ে রানের গতি অনেকটাই বাড়ান তিনি। রিচা অপরাজিত থাকেন ২০ বলে ৩৫ রান করে। ভারতের ইনিংস শেষ হয় ২৪৭ রানে। পাকিস্তানের পক্ষে ডায়ানা নেন ৪ উইকেট। ফাতিমা ও সাদিয়ার শিকার দু’টি উইকেট। আরও দুই উইকেট ভাগাভাগি করে নেন রামিন শামিম এবং নশরা সান্ধু।