খেলার বিভাগ > ক্রিকেট
১-০ গোলে ম্যাচ হারল সবুজ-মেরুন।
মোহনবাগানের ম্যাচ মানেই যুবভারতীতে উপচে পরা ভিড়। তবে মঙ্গলবার উপচে না পড়লেও, গ্যালারিতে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতোই। কিন্তু ঘরের মাঠে প্রিয় দলকে হারতে দেখে বাড়ি ফিরল তারা। ১-০ গোলে ম্যাচটি হারে মোহনবাগান। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২’তে এদিন সবুজ-মেরুন ব্রিগেড মুখোমুখি হয়েছিল আহল এফকের।
৩২ মিনিটে সোনালি সুযোগ আসে আহলের কাছে। কিন্তু এ যাত্রায় মেরিনার্সের রক্ষাকর্তা হয়ে ওঠে সাইড পোস্ট। মিরজোয়েভ সুলেমানের শট গিয়ে লাগে সাইড পোস্টে। না হলে তখনই এক গোলে পিছিয়ে পড়ত সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের কাছেও। ৩৭ মিনিটে জেসন কামিংস সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। পেনাল্টি বক্সের ভেতর থেকে তাঁর নেওয়া শট বার উঁচিয়ে চলে যায়। প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবেই শেষ হয়।
বিরতির পর ৫৮ মিনিটে দু’টি পরিবর্তন আনেন বাগান হেড কোচ হোসে মোলিনা। জেমি ম্যাকলরেন ও অনিরুদ্ধ থাপা নামেন দীপক টাংরি ও কিয়ান নাসিরির পরিবর্তে। নেমেই সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন ম্যাকলারেন। কিন্তু লাইন্সম্যান অফসাইডের ফ্ল্যাগ তোলেন। যদিও অজি স্ট্রাইকারের শট গোলে ছিল না। ৬৭ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পেয়েও সহজ সুযোগ মিস করেন কামিংস। দুই মিনিটের মধ্যেই ফের সুযোগ এসেছিল বাগানের সামনে। কামিংস নিজে শট না মেরে বল দিয়েছিলেন ম্যাকলরেনকে। কিন্তু তিনি গোল করতে পারেননি। ৭১ মিনিটে রড্রিগেজের শট বার উঁচিয়ে বেরিয় যায়।
৬৮ মিনিটে আরও দু’টি পরিবর্তন আনেন মোলিনা। লিস্টনের জায়গায় নামেন রবসন ও অভিষেকের জায়গায় রবসন রবিনহো। সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে মরসুমের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামলেন রবসন। ৮১ মিনিটে বিশাল কায়েথ রক্ষাকর্তা হয়ে না দাঁড়ালে বিপদে পড়ত মোহনবাগান। তবে প্রতি আক্রমণ থেকে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল মেরিনার্স। রবিনহোর দুর্দান্ত লং পাস ধরে বক্সে ঢুকে গিয়েছিলেন সহাল আবদুল সামাদ। কিন্তু বল বাইরে মারেন তিনি।
৮৩ মিনিটে গোল হজম করে মোহনবাগান। পরিবর্ত হিসাবে নামা আনায়েভ এনভার গোল করে শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবে পিছিয়ে দেন। প্রায় চল্লিশ হাজার দর্শককের যুবভারতীতে তখন শ্মশানের নিস্তব্ধতা।