খেলার বিভাগ > ক্রিকেট
বোর্ডের সভায় ভাজ্জির উপস্থিতি চূড়ান্ত হতেই জল্পনা শুরু হয়েছে।
২৮ সেপ্টেম্বর বোর্ডের এজিএমে পঞ্জাবের প্রতিনিধিত্ব করছেন হরভজন সিং। বর্তমানে পিসিএ-র পরামর্শদাতার ভূমিকায় রয়েছেন এই তারকা স্পিনার। এজিএম থেকে বোর্ডের একগুচ্ছ পদাধিকারী নির্বাচিত হওয়ার কথা। যার মধ্যে রয়েছে সভাপতি ছাড়াও সচিব, সহ-সভাপতি, যুগ্ম-সচিব, কোষাধ্যক্ষ এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের এক সদস্য। এছাড়া আইপিএল গভর্নিং বডির দুই প্রতিনিধির নামও চূড়ান্ত হতে পারে। ফলে বোর্ডের সভায় হরভজনের উপস্থিতি চূড়ান্ত হতেই জল্পনা শুরু হয়েছে।
মনে করা হচ্ছে, এই পদগুলির কোনও একটিতে তাঁকে দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা সভাপতি পদ নিয়ে। বোর্ডের সাম্প্রতিক দুই সভাপতি- সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রজার বিন্নির মতো হরভজনও বিশ্বজয়ী। তিনি নির্বাচিত হলে সেই পদের গরিমা ক্ষুণ্ণ হবে না বলেই বোর্ডের একাংশ মনে করছে। অবশ্য প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা প্রাত্তন জাতীয় নির্বাচক প্রধান কিরণ মোরে প্রবলভাবে রয়েছেন আলোচনায়।
চলতি মাসের শেষের দিকেই হতে চলেছে ভারতীয় বোর্ডের নির্বাচন। সংবাদসংস্থার খবর ধরলে, তা আপাতত হচ্ছে লোধা আইন মেনে। কারণ, জাতীয় ক্রীড়া আইনের নিয়মকানুন ঠিক হতে এখনও সময় লাগবে। অত অপেক্ষা নাকি আর করতে ইচ্ছুক নয় ভারতীয় বোর্ড। যেহেতু রজার বিন্নির বয়স ৭০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে, তাই লোধা আইনে তাঁর পক্ষে আর প্রেসিডেন্ট হওয়া সম্ভব নয়। বিশ্বকাপজয়ী বিন্নির পরিবর্ত হিসাবে কোনও হেভিওয়েট ক্রিকেটারকেই বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে বসানোর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে বিসিসিআইয়ের অন্দরে।
বিন্নির আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। যিনি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক হিসাবে পরিচিত। তাই বিন্নির উত্তরসূরি হিসাবেও বিরাট মাপের কোনও ক্রিকেটার কুর্সিতে বসুন, এমনটাই চাইছে বিসিসিআই। তাতে যারা দৌড়ে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কি হরভজনও ঢুকে পড়লেন? বোর্ডের সভায় তাঁর প্রতিনিধি হিসাবে যাওয়া, সেই জল্পনাই বাড়িয়ে দিল।