খেলার বিভাগ > ক্রিকেট
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে কোষাধ্যক্ষ প্রবীর চক্রবর্তী।
সিএবিতে আর্থিক কেলেঙ্কারি। অভিযোগে বিদ্ধ খোদ সিএবির কোষাধ্যক্ষ! যা নিয়ে তোলপাড় বাংলার ক্রিকেট। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সিএবির কোষাধ্যক্ষ প্রবীর চক্রবর্তী।
তার বিরুদ্ধে লেক থানায় অভিযোগ করেছে তারই ক্লাব উয়ারী। অভিযোগ দুটো । এক, লোধা কমিটির নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে এক ব্যক্তি এক পদ আইন লঙ্ঘন করে তিনি একই সঙ্গে ক্লাবের সচিব এবং সিএবির কোষাধ্যক্ষ দুই পদ সামলেছেন। দুই, ক্লাবের ৭০ লক্ষ টাকা তিনি তার ব্যক্তিগত একাউন্টে এবং নিজের কোম্পানিতে চালান করেছেন।
অভিযোগ সিএবি ওম্বাডসম্যান, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য পেয়েছেন। ক্লাবের তরফে প্রবীরবাবুর বিরুদ্ধে লেক থানায় অভিযোগ ও দায়ের করা হয়েছে। শনিবার বেলা বারোটার সময় সিএবির এথিক্স কমিটি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। যে খানে দু পক্ষের শুনানি হয়েছে। ১৯ জুলাই ইডেন গার্ডেন্সে শুনানি ডেকেছেন সিএবির ওম্বুডসম্যান।
বেনজির সেই ঘটনা ঘিরেই তোলপাড় পড়ে গিয়েছে সিএবি-র অন্দরে। চাঞ্চল্যকর অভিযোেগ পেয়ে তৎপর হয়েছেন সিএবি-র ওম্বাডসম্যান, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য।
ঘটনার সূত্রপাত ময়দানের শতাব্দীপ্রাচীন উয়াড়ি ক্লাবের ছয় সদস্যের অভিযোেগ ঘিরে। উয়াড়ি ক্লাবের সচিব, যিনি আবার সিএবি-র কোষাধ্যক্ষও, সেই প্রবীর চক্রবর্তী আর্থিক বেনিয়মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ তুলে গত ৩০ মে লেক থানা ও আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই ছয় সদস্য। আলিপুর আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মৌমিতা রায় ১৮ জুন রায় দেন যে, এই অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে তদন্ত করতে হবে লেক থানার অফিসার ইন চার্জকে। ২ জুলাই লেক থানার ওসি-র প্রাথমিক তদন্তের রিপোের্টও তলব করেছেন তিনি। সেপ্টেম্বরে মেয়াদ শেষ হচ্ছে সিএবির বর্তমান পরিচালন কমিটির। নির্বাচনের আগে সিএবির কোষাধ্যক্ষের এই আর্থিক দুর্নীতির আঁচ সেই নির্বাচনে কতটা পড়ে, সেটা দেখতেই মুখিয়ে বাংলার ক্রিকেট মহল।