খেলার বিভাগ > ক্রিকেট
খুশি প্রাক্তন সিএবি সভাপতি।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর লোকসভায় পাস হল স্পোর্টস বিল। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যর মতে, স্বাধীনতার পর ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো সংস্কার। মনসুখ বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এটাই ভারতীয় ক্রীড়ায় সবচেয়ে বড়ো সংস্কার। এই বিলের ফলে প্রত্যেকে দায়িত্বশীল হবে। প্রতিটি ক্রীড়া সংস্থা সরকারের এক ছাতার তলায় থাকবে। ভারতীয় ক্রীড়ার ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। দুঃখের বিষয়, এতদিন এর বিরোধিতা হয়ে আসছিল।’ জাতীয় ক্রীড়া বিলে দুটো সংশোধন হয়েছে। প্রথম হল ভারত সরকার থেকে যে সমস্ত সংস্থা অনুদান বা আর্থিক সাহায্য নেবে, তারাই শুধুমাত্র ‘রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট’–এর আওতায় আসবে। দ্বিতীয়টি হল, জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জেনারেল বা কোষাধ্যক্ষ হতে গেলে এখন তিনটে রাস্তা খোলা পদপ্রার্থীর সামনে। হয় ‘স্পোর্টসপার্সন অব আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট’ হতে হবে তাঁকে। কিংবা জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার এক্সিকিউটিভ কমিটিতে ন্যূনতম একটা টার্ম পূর্ণ করতে হবে। বা নিজ রাজ্যের অনুমোদিত সংস্থার প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জেনারেল বা কোষাধ্যক্ষ হতে হবে।
এই স্পোর্টস বিল প্রসঙ্গে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য অভিষেক ডালমিয়া বলেন, ‘ আমি অনেক ইতিবাচক দিক দেখছি। ধারণাটা সবসময় হওয়া উচিত আরও বেশি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার। যাতে ক্রীড়া জগতের সেরা মানুষরা প্রশাসনের অংশ হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যেখানে বহু বছর ধরে মানুষ অযোগ্য থেকেছেন। সেক্ষেত্রে যদি আইনটি কিছুটা শিথিল হয় এবং যারা তাদের জীবন ক্রিকেটকে উৎসর্গ করেছেন, তারা যদি কোনোভাবে ফিরে আসার সুযোগ পান, তবে সেটিকে সাদরে গ্রহণ করা উচিত এবং স্বাগত জানানো উচিত।’