খেলার বিভাগ > ক্রিকেট
এই ম্যাচে কোনও উইকেট পেলেন না মহম্মদ শামি।
যে ম্যাচ থেকে একটা সময় পুরো পয়েন্টের স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল বাংলা। সেই ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্টও এল না। আগরতলায় ত্রিপুরার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে লিড নিতে ব্যর্থ বাংলা। যে কারণে কোনও রকমে ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে বাংলাকে। প্রথম ২ ম্যাচে ১৫ উইকেট পাওয়ার পর এই ম্যাচে কোনও উইকেট পেলেন না মহম্মদ শামি।
ত্রিপুরার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৩৩৬ রানে অলআউট হয় বাংলা। ১০৮ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন সুদীপ। সাকির গান্ধী ৯৫ রান করেন। তারপরই শুরু হয় বঙ্গ পেসারদের দাপট। মহম্মদ শামির সঙ্গে এই ম্যাচ খেলছেন তাঁর ভাই মহম্মদ কাইফও। কাইফ শুরু থেকেই আগুনে বোলিং করতে থাকেন। যার ফলে ত্রিপুরা একটা সময় ৫৩-৫ হয়ে গিয়েছিল। কিছুক্ষণের মধ্যে আরও একটা উইকেট। ত্রিপুরা তখন ৯৩-৬। তারপরই চর্চা শুরু হয়ে যায়, বাংলা এই ম্যাচ থেকে কি বোনাস পয়েন্ট নিয়ে জিততে পারবে?
কিন্তু কোথায় কী? হনুমা বিহারী আর বিজয় শঙ্করের একটা পার্টনারশিপ সেই আশায় জল ঢেলে দিল। তৃতীয় দিনের শেষে হনুমা ১২১ রানে অপরাজিত ছিলেন। চতুর্থ দিনে তিনি যখন আউট হন, তখন ত্রিপুরা ১৬ রানে পিছিয়ে। বাংলার দরকার ২ উইকেট। অন্তত ৩ পয়েন্ট আসতেই পারত। কিন্তু সেটাও হল না। একা কুম্ভের মতো লড়ে গেলেন অধিনায়ক মণিশঙ্কর মুরাসিং। ত্রিপুরা ৩৮৫ রানে অলআউট হলেও মণিশঙ্কর ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন। ১০ নম্বরে নামা রানা দত্ত পর্যন্ত ২৭ রান করে যান।
গোটা ইনিংসে ২৫ ওভার বল করে ৭৬ রান দিলেও উইকেটহীন থাকলেন শামি। কাইফ পেলেন ৪ উইকেট। বাকি শিকার ঈশান পোড়েল (৩), রাহুল প্রসাদ (২), শাহবাজ আহমেদের। বৃষ্টির ফলে প্রথম দু’টো দিন অনেকটাই সময় নষ্ট হয়েছে। এর সঙ্গে একগুচ্ছ ক্যাচ নষ্ট করেছেন এই ম্যাচে বাংলার অধিনায়ক অভিষেক পোড়েল। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৯ রানে পিছিয়ে বাংলা ব্যাট করতে নামলেও ম্যাচের ভাগ্য তখন ঠিক হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলা ৩ উইকেটে ৯০ রানে থাকা অবস্থায় ম্যাচ ড্র করে দেওয়া হয়।